দামুড়হুদা থানায় অভিযোগের ২মাস পার হলেও কোন ব্যাবস্থা নেয়নি পুলিশ

0
বিস্তারিত (1)

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা মডেল থানায় অভিযোগ দায়েরের ২ মাস পার হলেও কোন ব্যাবস্থা নেয়নি পুলিশ বলে অভিযোগ উঠেছে। গত আগস্ট মাসে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের পীরপুরকুল্লা গ্রামের মৃত খাদেম হোসেনের ছেলে ইকতারুল ইসলাম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে এখনো থানা পুলিশ কোন আইনি ব্যাবস্থা নেয়নি বলে বাদি জানিয়েন ভুক্তভোগী।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, গত ৪ আগস্ট আমি ইন্টারনেট চালানোর সময়ে উক্ত মইনুল ইসলাম নামের ফেসবুক আইডিতে বিজ্ঞাপন দেখি গোপন রোগের চিকিৎসা, দাম্পত্য সংকট, বিয়ে না হওয়া, প্রেমে ব্যর্থতা- এমন বহু সমস্যা সমাধানের জন্য ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেখে মেসেঞ্জার ও একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে যোগাযোগ করি কবিরাজ মইনুল ইসলামের সঙ্গে বিভন্ন ধরণের কথাবর্তা বলিতে বলিতে কবিরাজ জানায় জ্বিন দিয়ে চালানের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি কাজ করিয়ে দেয়ার কথা বলে। আমি তাহার কথায় বিশ্বাস স্থাপন করি আমার একটি গোপন কাজের জন্য বিনিময়ে কথিত তান্ত্রিক নামধারী ভন্ড ভুয়া কবিরাজ মইনুল ইসলাম কথাই বিশ্বাস করে দুটি বিকাশ পার্সোনাল নম্বরে ০১৭৮০-৩৩৩৯৯৮, ০১৭১৩-৮৬০০২০ সাত দফায় ১ লক্ষ ৮ হাজার টাকা সেন্ড ম্যানি মাধ্যমে প্রদান করি। পরবর্তীতে কাজের অগ্রগতির বিষয়ে তাগিদ দিলে এক পর্যায়ে সবকিছু থেকে তাকে ব্লক করে দেয়া হয়। আমি উল্লেখিত বিষয়ে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের জানাইলে তারা আমাকে থানায় যাওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন। গত ২২ আগস্ট দামুড়হুদা মডেল থানায় ইকতারুল ইসলাম বাদি হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। বর্তমানে অভিযোগটির কোন আইনি ব্যাবস্থা নেওয়া হয়নি বলে বাদি করেছেন ইকতারুল ইসলাম।

এ বিষয়ে জানতে দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শেখ মেসবাহ্ উদ্দীন সাথে সরকারি নাম্বারে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ওসি ছুটিতে থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি” ওসির অনুপস্থিতিতে ওসি (তদন্ত) প্রভাষ কুমার বসু বলেন, অভিযোগটি মূলত প্রতারণার বিষয় বিকাশ মাধ্যমে ১ লক্ষ ৮ হাজার টাকা দিয়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিস্তারিত তদন্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে শুনলাম। ইতিমধ্যে কয়েকটি আইডি কার্ড এবং বিকাশের কিছু লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান।

এ বিষয়ে জানতে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার (এসপি) মেহেদী শাহরিয়ারের সরকারি নম্বরে কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা পাঠিয়েও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিষয়টির প্রতি সুনজর দিয়ে প্রযোজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে খুলনা রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) রেজাউল করিম-এর হস্তক্ষেপ কামনা করছে এলাকাবাসীসহ সচেতন মহল।

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
মোঃ মারুফ হোসেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *